অর্থনীতি

ঈদুল ফিতর ঘিরে বাজারে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মুরগির দাম

  প্রতিবছর ঈদুল ফিতর ঘিরে বাজারে মুরগির চাহিদা বাড়ে। চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে দাম। এ বছরও ঈদ সামনে রেখে চড়া মুরগির বাজার। গত এক সপ্তাহ ধরে বাজারে মুরগির দাম বাড়ছে। এ সময়ের ব্যবধানে প্রতি কেজি মুরগির দাম প্রায় ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সঙ্গে বেশ কয়েক মাস নিম্নমুখী থাকা ডিমের দামও কিছুটা বেড়েছে। তবে ঈদের আগে অন্যান্য অধিকাংশ পণ্যই স্থিতিশীলই রয়েছে। আর চাহিদা কমায় রমজানের পণ্যসহ বেশকিছু সবজির দাম কমেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে ব্রয়লার, সোনালি, লেয়ার ও দেশি সব ধরনের মুরগির দামই বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, ঈদে মুরগির চাহিদা বাড়ে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়ছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২২০-২৩০ টাকা, সোনালি মুরগি ও লেয়ার মুরগি ৩৩০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, গত এক সপ্তাহে এসব মুরগি কেজিতে ৫০ টাকা বেড়েছে। যেখানে গত সপ্তাহেও ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৭০-১৮০ টাকা, সোনালি ২৮০-৩০০ টাকায় আর লেয়ার মুরগির ২৭০-২৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো। অন্যদিকে, বাজারে এখন প্রতি কেজি দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৬৫০-৭০০ টাকায়, যা সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৬০০ থেকে ৬২০ টাকা। রাজধানীর রামপুরা বাজারের মুরগি বিক্রেতা ফরিদ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, রমজানের ঈদে অধিকাংশ মানুষ মুরগি খায়। বড়লোকেরাও খায়, গরিবরা আরও বেশি খায়। রেস্টুরেন্টেও চাহিদা বাড়ে। যে কারণে এরই মধ্যেও কিছুটা চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। ‘কিন্তু চাহিদা বাড়লেও সেভাবে সাপ্লাই নেই। প্রত্যন্ত এলাকা থেকে সেভাবে মুরগি সরবরাহ হচ্ছে না। আর পাইকারি বাজারে প্রতিদিন ৫-১০ টাকা করে দাম বাড়ছে’—বলেন তিনি।

Admin মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
মার্চের ১০ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭৪ কোটি ডলার

মার্চের প্রথম ১০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭৩ কোটি ৮০ লাখ বা ১.৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১৭ কোটি ৩৮ লাখ ডলার। বুধবার (১১ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১১৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত দেশে এসেছে ২ হাজার ৪১৯ কোটি ১০ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ২৩ দশমিক ২০ শতাংশ। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। জানুয়ারিতে এসেছে ইতিহাসে কোনো এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ও চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার। যা ছিল দেশের ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ও চলতি অর্থবছরের কোনো এক মাসে আসা সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

Admin মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ঈদে পাওয়া যাবে না নতুন টাকা

  প্রতিবছর ঈদের আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো নতুন কাগজের নোট পর্যাপ্ত করে গ্রাহকদের মাঝে বিনিময় বা সরবরাহ করে থাকে। এসব নোট ঈদের সময় পরিবার-পরিজন বা শিশুদের ঈদ সালামি হিসেবে দেওয়া হয় এবং এক ধরনের সাংস্কৃতিক অভ্যাস হিসেবে চাহিদা থাকে। কিন্তু এবার সেই সুযোগ দিচ্ছে না ব্যাংক।   রবিবার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে এবারের ঈদ উপলক্ষে বাজারে নতুন টাকা সরবরাহ করা হবে না।

Admin মার্চ ৮, ২০২৬ 0
ঈদের আগে ঢাকায় বিসিকের জামদানি ও কারুপণ্য মেলা

  ঈদের আগে ঢাকায় জামদানি শাড়ি ও কারুপণ্য নিয়ে মেলা করবে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)। সংস্থাটির আয়োজনে ৫ দিনব্যাপী ‘বিসিক জামদানি ও কারুপণ্য মেলা ২০২৬’ আগামী ১০ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও সেমিনার ১০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে বিসিক। বিসিক বলছে, দেশীয় ঐতিহ্যের অনন্য নিদর্শন জামদানি ও নান্দনিক কারুপণ্যের সমাহারে আয়োজিত এই মেলায় থাকবে মানসম্মত পণ্য প্রদর্শনী ও বিক্রয়, উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জামদানির ব্র্যান্ডিং ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।

Admin মার্চ ৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

  বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হলেন মো. মোস্তাকুর রহমান। আজ বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। উপসচিব মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদারের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তার যোগদানের তারিখ থেকে ৪ (চার) বছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। মো. মোস্তাকুর রহমান গভর্নর পদে নিয়োজিত থাকাকালীন সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত মোতাবেক বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংক হতে গ্রহণ করবেন। এ নিয়োগের অন্যান্য বিষয় চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে জারীকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।   মোস্তাকুর রহমান একজন হিসাববিদ। একই সঙ্গে একটি তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হেরা সোয়েটার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকসংক্রান্ত বিজিএএমইএর স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান। এদিকে উপসচিব মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদারের সই করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে ড. আহসান এইচ মনসুরের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।  প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগকৃত ড. আহসান এইচ মনসুরের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ এতদ্বারা বাতিল করা হলো। জনস্বার্থে জারীকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

Admin ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
তরুণদের কর্মসংস্থানে বিশ্বব্যাংক দিচ্ছে ১৫ কোটি ডলার

  দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংক–এর মধ্যে ১৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। পিকেএসএফের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম চুক্তিতে সই করেন। এই অর্থ পিকেএসএফের বাস্তবায়নাধীন অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধার ও অগ্রগতি প্রকল্পের অতিরিক্ত তহবিল হিসেবে যুক্ত হবে। আজ সোমবার পিকেএসএফের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ২০২২ সালে ২৫ কোটি মার্কিন ডলারের তহবিল নিয়ে প্রকল্পটির কার্যক্রম শুরু হয়। এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৬ সালের জুনে। নতুন অর্থায়ন যুক্ত হওয়ায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। বর্ধিত সময়ের জন্য প্রকল্পের বাজেট দাঁড়াবে ২৮ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। বিশ্বব্যাংকের এই অতিরিক্ত অর্থের বাইরে বাকি অর্থ জোগান দেবে পিকেএসএফ ও এর সহযোগী সংস্থাগুলো। ফলে ২০২২ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত প্রকল্পের মোট বাজেট দাঁড়াচ্ছে ৫৩ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ হাজার ১০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ। প্রকল্পটির লক্ষ্য বেকার তরুণ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং অনানুষ্ঠানিক খাতে যুক্ত কর্মীদের আয় ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। অতিরিক্ত অর্থায়নের ফলে কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়বে। ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চার লাখের বেশি মানুষ সরাসরি এবং কয়েকগুণ মানুষ পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বর্ধিত অংশে চর, হাওর, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও পার্বত্য অঞ্চলসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের তরুণদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। অনানুষ্ঠানিক খাতে নারীদের অংশগ্রহণ সহজ করতে বাড়িভিত্তিক শিশু যত্নকেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় তরুণদের বাজারের চাহিদা অনুযায়ী কারিগরি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ওস্তাদ–শাগরেদ পদ্ধতিতে হাতে-কলমে শেখানোর মাধ্যমে তাদের বাস্তব দক্ষতা বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের নির্দিষ্ট পেশায় কাজের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ রয়েছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে অর্থায়ন ও ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে তারা নিজেদের উদ্যোগ বড় করার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করতে পারছেন।

Admin ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি সই, কমল পাল্টা শুল্ক

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্কের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ও বহুল আলোচিত পালটা শুল্কহার কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনতে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি সই করেছে দুই দেশ। এই চুক্তির ফলে এখন থেকে আমেরিকা থেকে আমদানিকৃত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু (সিন্থেটিক ফাইবার) দিয়ে তৈরি পোশাক যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ক্ষেত্রে ‘রেসিপ্রোকল’ বা পারস্পরিক শুল্ক সুবিধা শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটনে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ঢাকা থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে চুক্তিতে সই করেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সই করেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিয়েসন গ্রিয়ার। ওয়াশিংটনে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলের উপস্থিতিতে এই ভার্চুয়াল স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে আরো যুক্ত ছিলেন নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ সহকারী লুৎফে সিদ্দিকী এবং বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান। গত কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে উচ্চ শুল্কহার একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ও তন্তুর ওপর বাংলাদেশের শুল্ক কাঠামো নিয়েও ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। নতুন এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ এখন মার্কিন তুলা ও কৃত্রিম তন্তু ব্যবহার করে পোশাক তৈরি করলে তা শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমেরিকার বাজারে রপ্তানি করতে পারবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পালটা শুল্কহার ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং নির্দিষ্ট কাঁচামালের পোশাকে শূন্য শুল্ক সুবিধা পাওয়ায় বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে। এটি কেবল রপ্তানি আয় বাড়াবে না, বরং দুই দেশের মধ্যে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব তৈরি করবে। খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই চুক্তিকে দেশের অর্থনীতির জন্য একটি ‘মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা ২০২৬ সালের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Admin ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে বন্দর ইজারা চুক্তি করছে না অন্তর্বর্তী সরকার: আশিক চৌধুরী

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেছেন, ‘এই সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না। তারা আমাদের কাছে একটু সময় চেয়েছেন। কিন্তু আমাদের হাতে মাত্র ২টি কার্যদিবস বাকি আছে। তাই এ সময়ের মধ্যে হচ্ছে না। আজ রবিবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। আশিক চৌধুরী বলেন, ‘প্রজেক্টটা ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল। গত এক মাসে ফাইনাল বোঝাপড়ার ধাপটা শুরু হয়েছিল। যা এখনো চলমান। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন তাদের সঙ্গে কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছে। যা চলমান থাকবে। এটা সম্পন্ন করতে আরও কিছু সময় লাগবে।’ তিনি বলেন, ওনাদের (ডিপি ওয়ার্ল্ড) কাছ থেকে আজকে সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে চিঠি এসেছে। এখানে ওনারা যেটা বলেছেন, ওনারা এপ্রিশিয়েট করেছেন যে, আমাদের সঙ্গে যে নেগোসিয়েশন চলছে— সেটার প্রগ্রেস নিয়ে ওনারা খুশি হয়েছেন। ওনারা আশা করছেন, এটা ভবিষ্যতে গ্রো করবে এবং ভবিষ্যতে একটা রাইট ডিরেকশনে যাবে। এই নেগোসিয়েশন অ্যাপ্রিশিয়েট করার পর ওনারা যে মেসেজটা আমাদেরকে দিয়েছে, সেটা হচ্ছে— ড্রাফট কনসেশন এগ্রিমেন্ট, যেটা তাদের সঙ্গে শেয়ার করা হয়েছে। ওনারা আমাদের কাছে বেসিক্যালি কিছু সময় চেয়েছেন, এটাকে রিভিউ করার জন্য। তিনি বলেন, এই সরকারের আমলে সাইন হচ্ছে না। আমার মনে হয়, এটা ফেয়ার অ্যামাউন্ট অব সার্টেনটি নিয়ে বলা যায়। কারণ আর দুটা কার্যদিবস আছে। এই দুই কার্যদিবসের মধ্যে ওনারা ফেরত আসবেন, তারপরে আমরা আমাদের ক্যাবিনেটে নিয়ে গিয়ে এটাকে অ্যাপ্রুভ করিয়ে তারপরে সাইন করবো। এটা আমাদের নিজেদের কিছু প্রসেস স্টেপ আছে। যদি হঠাৎ করে ফেরত চলেও আসেন, আমার ধারণা প্রসেসগুলো কমপ্লিট করা খুব ডিফিকাল্ট হবে। আর চুক্তি করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনও তারিখ নির্ধারিত ছিল না। 

Admin ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
চট্টগ্রাম বন্দরে নজিরবিহীন অচলাবস্থা, বন্ধ আমদানি-রপ্তানি

  চট্টগ্রাম বন্দরে চলমান লাগাতার কর্মবিরতি ও জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে নজিরবিহীন সংকট তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতিকে জাতীয় অর্থনীতির জন্য ‘মহাবিপর্যয়’ আখ্যা দিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন দেশের শীর্ষ ১০টি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা। বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি বৈঠক শেষে দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন, বিসিআই, এমসিসিআই, ডিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, বিটিটিএলএমইএ, বিজিএপিএমইএ ও বিজিবিএ। বিবৃতিতে ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের ইতিহাসে এই প্রথম জাহাজ চলাচল পর্যন্ত সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড হিসেবে পরিচিত দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, বন্দর এক দিন বন্ধ থাকলেই অর্থনীতিতে কয়েক হাজার কোটি টাকার প্রত্যক্ষ ক্ষতি হয়। চলমান অচলাবস্থায় তৈরি পোশাকসহ সব রপ্তানিমুখী শিল্পের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে, যা দেশকে অপূরণীয় ক্ষতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিবৃতিতে বলা হয়, একদিকে কারখানাগুলোর কাঁচামাল সময়মতো পৌঁছাচ্ছে না, অন্যদিকে উৎপাদিত পণ্য বন্দরে আটকে থেকে শিপমেন্ট বিলম্বিত হচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের দেওয়া ‘ডেডলাইন’ রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে উঠছে। এ পরিস্থিতি আরো কয়েক দিন বজায় থাকলে বড় ধরনের ক্রয়াদেশ বাতিলের পাশাপাশি বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে সোর্সিং প্রত্যাহারের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তারা আরো বলেন, বৈশ্বিক চাহিদা হ্রাস, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই দেশের উৎপাদন ও রপ্তানি খাত ইতিমধ্যে চরম চাপের মধ্যে রয়েছে। উদ্যোক্তারা প্রাণান্তকর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন। এর মধ্যে বন্দরের অচলাবস্থার কারণে ভয়াবহ কনটেইনার জট সৃষ্টি হয়েছে। এতে ডেমারেজ, পোর্ট চার্জ ও স্টোরেজ রেন্ট বেড়ে গিয়ে উৎপাদন খরচ আরো বাড়ছে, যা শেষ পর্যন্ত রপ্তানি পণ্যের দামে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অন্যদিকে এই অতিরিক্ত ব্যয় আমদানীকৃত পণ্যের দামের ওপরও সরাসরি পড়বে। সামনে পবিত্র রমজান মাস। সংকট দ্রুত নিরসন না হলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বাজারে পৌঁছাতে দেরি হবে এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয়ে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, শিপমেন্ট বিলম্বের কারণে ব্যাংকঋণ ও এলসি ব্যবস্থাপনায় অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। সময়মতো দায় পরিশোধে ব্যর্থ হলে আর্থিক খাতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে দীর্ঘ মেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আসন্ন রমজান ও ঈদের বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির দায় শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষকেই বহন করতে হবে।

Admin ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
আরো বাড়ল এলপিজির দাম

  ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ১২ কেজি এলপিজির দাম ৫০ টাকা বাড়ায় সংস্থাটি। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে। একই সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে অটো গ্যাসের দামও।   বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানান, ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা থেকে ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত ৪ জানুয়ারি সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

Admin ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এলো ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার

  এ বছরের জানুয়ারি মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১৭ কোটি বা ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১০ কোটি ২৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। যা গত বছরের তুলনায় ৪৫ শতাংশ বেশি।  আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১৭ কোটি ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২১৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। এর আগে গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার। যা ছিল দেশের ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ও চলতি অর্থবছরের কোনো এক মাসে আসা সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। তবে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের মার্চে। সেই মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।

Admin ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0
অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ালেও সামনে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

  বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ালেও সামনে বড় কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘বিগত সরকারের সময় আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছিল। পাচার ও অব্যবস্থাপনার ফলে ব্যাংক খাতের অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক। তবে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপে অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীতে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও পরবর্তী সরকারের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনার ও ‘ইআরএফ শিক্ষাবৃত্তি-২০২৬ প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, ‘শিল্পের কাঁচামাল আমদানি বেড়েছে, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে এবং বৈদেশিক লেনদেন পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। রিজার্ভও ধীরে ধীরে বাড়ছে। এ ছাড়া জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের কাছাকাছি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘গভর্নর চেয়েছিলেন মূল্যস্ফীতি দ্রুত কমাতে, কিন্তু এটি ধীরগতিতে কমবে। পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে এটি ১১ থেকে ৮ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।’ উপদেষ্টা বলেন, ‘বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এ অবস্থায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের স্বার্থে দীর্ঘ সময় উচ্চ সুদের হার বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা নতুন করে পর্যালোচনা করা উচিত। জ্বালানি খাতকে ভবিষ্যতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদনের একটি বড় অংশ অব্যবহৃত থাকছে। সৌরবিদ্যুৎ খাতে সম্ভাবনা থাকলেও পরিকল্পনাহীনতার কারণে অতীতে কিছু প্রকল্প ব্যর্থ হয়েছে।

Admin জানুয়ারী ২৯, ২০২৬ 0
৬ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত

  দেশের ৯টি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বন্ধ বা অবসায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে আপাতত তিনটি প্রতিষ্ঠান অবসায়ন হচ্ছে না। এসব প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সূচকে উন্নতির জন্য ৩ থেকে ৬ মাস সময় দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে ফাস ফাইন্যান্স, প্রিমিয়ার লিজিং, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, অ্যাভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উচ্চ খেলাপি ঋণ, দীর্ঘদিনের অনিয়ম এবং আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধের পথে যাচ্ছে। অন্যদিকে জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কম্পানিকে (বিআইএফসি) আর্থিক সূচক উন্নয়নের জন্য ৩ থেকে ৬ মাস সময় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক অগ্রগতি না হলে এসব প্রতিষ্ঠানকেও অবসায়নের আওতায় আনা হবে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় গত বছরের মে মাসে ২০টি এনবিএফআইকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক- কেন তাদের বিরুদ্ধে অবসায়নমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। পরবর্তীতে মূল্যায়নের পর দেখা যায়, এর মধ্যে ৯টি প্রতিষ্ঠানের পুনরুদ্ধার বা ঘুরে দাঁড়ানোর কর্মপরিকল্পনা সন্তোষজনক নয়। ফলে এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধের উদ্যোগ নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ৭৫ থেকে ৯৮ শতাংশে পৌঁছেছে। জানা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে কোনো যুক্তিসংগত কারণ আছে কি না, তা যাচাই করতে গত সপ্তাহে শুনানি শুরু হয়, যা গত রবিবার শেষ হয়েছে।  নাম প্রকাশ করার শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, শুনানিতে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মপরিকল্পনা ও বিভিন্ন যুক্তি উপস্থাপন করে। এর ভিত্তিতে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সূচক উন্নয়নের সুযোগ দিয়ে ৩ থেকে ৬ মাস সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়, যা বোর্ড সভায় অনুমোদিত হয়েছে। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, আগের সরকারের সময় ব্যাপক অনিয়ম ও কেলেঙ্কারির কারণেই এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ এত বেড়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের (বর্তমানে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি কে হালদার ৪টি এনবিএফআই-পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, ফাস ফাইন্যান্স ও বিআইএফসি-থেকে অন্তত সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

Admin জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
চলতি মাসের ২৪ দিনে দেশে এলো ২৪৮ কোটি ডলার

চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪৭ কোটি ৭০ লাখ বা ২ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১০ কোটি ৩২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, চলতি জানুয়ারির প্রথম ২৪ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৬৬ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছে। আর ২৪ জানুয়ারি এক দিনে প্রবাসীরা দেশে ১৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার পাঠিয়েছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৮৭৪ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ। এর আগে গত ডিসেম্বরে দেশে এসেছে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার। যা চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের যেকোনো মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাস আয়।

Admin জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
চলতি মাসের ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৩৩ কোটি ডলার

চলতি মাসের প্রথম ২১ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩৩ কোটি ১০ লাখ বা ২ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ১০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।  বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, চলতি জানুয়ারির প্রথম ২১ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৫০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। আর ২১ জানুয়ারি এক দিনে প্রবাসীরা দেশে ১১ কোটি ডলার পাঠিয়েছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৮৫৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ২১ দশমিক ৭০ শতাংশ। এর আগে গত ডিসেম্বরে দেশে এসেছে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার। যা চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের যে কোনো মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়।

Admin জানুয়ারী ২২, ২০২৬ 0
বাজার অস্থিরতা মোকাবেলায় এলপিজি আমদানির সিদ্ধান্ত সরকারের

দেশের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) খাতে চলমান তীব্র সংকট নিরসন ও বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি পর্যায়ে সরাসরি এলপিজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। গত ১০ জানুয়ারি সরকার থেকে সরাসরি (জিটুজি) ভিত্তিতে এই আমদানির অনুমতি চেয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিপিসি। জ্বালানি বিভাগ ও বিপিসি সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে দেশের এলপিজি বাজার প্রায় পুরোপুরি বেসরকারি খাতনির্ভর হওয়ায় খুচরা পর্যায়ে সিলিন্ডারের দামের ওপর সরকারের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নেই। এর ফলে সরবরাহ ঘাটতি ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই বাস্তবতায় সরকারি উদ্যোগে এলপিজি আমদানির মাধ্যমে বাজারে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা এবং কৃত্রিম সংকট মোকাবেলায় বিপিসির প্রধান লক্ষ্য। বিপিসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করেন, বাজারে বর্তমানে এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকট ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। বেসরকারি অপারেটরদের অনেকেই বিভিন্ন জটিলতার কারণে নিয়মিত আমদানি করতে পারছেন না। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোথাও কোথাও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। চিঠিতে আরো বলা হয়, সরকারিভাবে এলপিজি আমদানি করা হলে তা বেসরকারি অপারেটরদের মাধ্যমেই দ্রুত বাজারে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারের হাতে একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তৈরি হবে। তবে বিপিসির নিজস্ব অবকাঠামো না থাকায় বেসরকারি অপারেটরদের টার্মিনাল ও খালাস সুবিধা ব্যবহার করেই এই কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানান, সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জিটুজি ভিত্তিতে এলপিজি আমদানির সম্ভাবনা যাচাই করছে। সরকার আপাতত শুধু আমদানির দায়িত্ব নেবে। আর সংরক্ষণ ও বোতলজাতকরণের কাজ বেসরকারি খাতই করবে।

Admin জানুয়ারী ১৪, ২০২৬ 0
জানুয়ারির ১০ দিনে রেমিট্যান্স এলো প্রায় ১১২ কোটি ডলার

চলতি মাসের প্রথম ১০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১১২ কোটি ৭০ লাখ বা ১ দশমিক ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ২৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।  রবিবার (১১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, চলতি জানুয়ারির প্রথম ১০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১১২ কোটি ৭০ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ৭১ কোটি ৭০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। আর ১০ জানুয়ারি এক দিনে প্রবাসীরা দেশে ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন জানিয়ে তিনি আরো বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৭৩৯ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ২০ শতাংশ। এর আগে গত ডিসেম্বরে দেশে এসেছে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার। যা চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের যেকোনো মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাস আয়।

Admin জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
এলপি গ্যাসের দাম বাড়ল ৫৩ টাকা

  জানুয়ারি মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৩ টাকা থেকে ৫৩ টাকা বাড়িয়ে ১৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। রবিবার (৪ জানুয়ারি) নতুন এ মূল্যের ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। যা আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে। এ ছাড়া অটোগ্যাসের দাম ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪৮ পয়সা বাড়িয়ে ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ডিসেম্বর মাসে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি অটোগ্যাসের দাম ১ টাকা ৭৪ পয়সা বাড়িয়ে ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।

Admin জানুয়ারী ৪, ২০২৬ 0
২০২৬ সালে ব্যাংকিং খাত সবচেয়ে বড় এজেন্ডা হয়ে দাঁড়াবে

২০২৬ সাল সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত মিলছে। গণতান্ত্রিক সরকারের অধীনে বছরটি ইতিবাচক সূচনায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও, একই সঙ্গে এলডিসি থেকে উত্তরণজনিত বাস্তবতা সামনে। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক উন্নয়ন সংক্রান্ত বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ স্বস্তি আনতে পারে অর্থনীতিতে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান ২০২৬ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পূর্বাভাস নিয়ে একান্ত এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন। ২০২৬ সালকে আপনি কীভাবে দেখছেন, বিশেষ করে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রেক্ষাপটে? ২০২৬ সাল একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর। দেশটি একটি গণতান্ত্রিক ট্রানজিশনের মধ্য দিয়ে যাবে, যা একদিকে ইতিবাচক দিক নির্দেশ করে। দীর্ঘদিন ধরে যে অনিশ্চয়তা ছিল বিশেষ করে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তা কিছুটা কাটতে পারে। যদি নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় তাহলে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সাপ্লাই চেইন রেসপন্স এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের মতো বড় বড় ইস্যুতে অগ্রগতি সম্ভব হবে। সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তবে সরকার যদি এগুলো ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন না করে এবং আরও স্ট্যান্ডার্ডাইজ না করে, তাহলে অর্থনীতি গভীর সংকটে পড়তে পারে। এখানে কোনো শৈথিল্য দেখালে আমরা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবো, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় নতুন সরকার গঠনের পর অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় কোন ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে? নতুন সরকার গঠিত হলে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। কারণ, তখন নির্বাচনকেন্দ্রিক চাপ কমে আসবে। এটি একটি সম্ভাবনাময় দিক। তবে একই সঙ্গে কিছু পুরোনো চ্যালেঞ্জ থেকেই যাবে—যেমন প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো, ব্যবসার খরচ কমানো ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা।

Admin জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0
২০৭০ কোটি টাকার আমানত নিয়ে ‘বেকায়দায়’ বিপিসি

চারটি ব্যাংক অবসায়ন হয়ে সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংক হয়ে যাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে/জাগো নিউজ গ্রাফিক্স দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যাংকিং কেলেংকারির প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনেও (বিপিসি)। বিগত সময়ে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে থাকা ছয় ব্যাংকে জমানো দুই হাজার কোটি টাকার বেশি আমানত নিয়ে কিছুটা বেকায়দায় পড়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি এর মধ্যে চারটি ব্যাংক অবসায়ন হয়ে সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংক হয়ে যাওয়ায় সে দুশ্চিন্তা কিছুটা কেটেছে বলে দাবি বিপিসির। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ব্যাংকিং সেক্টরে বড় লুটপাটের তথ্য প্রকাশ্যে আসে। বিশেষ করে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণাধীন সাতটি ব্যাংকের মধ্যে পাঁচটিতে ঘটে নামে-বেনামে ঋণ জালিয়াতির ঘটনা। এ নিয়ে গত দেড় বছরে সারাদেশে তুমুল সমালোচনা তৈরি হয়। ওই পাঁচ ব্যাংক থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। এরই মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এসব ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতি নিয়ে বেশ কয়েকটি মামলাও করেছে। আরও মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানায় দুদক সূত্র। এস আলম সংশ্লিষ্ট ছয়টি ব্যাংকে বিপিসির আমানত রয়েছে। এর মধ্যে চারটি ব্যাংক অবসায়িত হয়েছে। পাশাপাশি অবসায়িত এক্সিম ব্যাংকেও আমাদের আমানত রয়েছে। এসব আমানত বিভিন্ন সময়ে রাখা হয়েছিল। যথাযথ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও নির্দেশনা অনুসারে ব্যাংকগুলোতে অর্থ জমা রাখা হয়েছিল।- বিপিসির ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) এটিএম সেলিম ব্যাংকগুলো হলো- ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক। পাশাপাশি কমার্স ব্যাংক ও আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে গ্রুপটির নিয়ন্ত্রণ থাকলেও ওই দুই ব্যাংকে জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের খবর পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাদে অন্য চারটির সঙ্গে এক্সিম ব্যাংকও বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিলুপ্ত পাঁচ ব্যাংক নিয়ে সরকারি মালিকানায় গঠন করা হয় ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পর তাদের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

Admin জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0
দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে ডিসেম্বরে

  দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে সদ্যবিদায়ি মাস ডিসেম্বরে। এ সময়ে এসেছে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) যার পরিমাণ প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, ডিসেম্বর মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার। এটি নভেম্বরের তুলনায় প্রায় ৩৪ কোটি ডলার বেশি এবং গত বছরের ডিসেম্বরে আসা ২৬৪ কোটি ডলারের তুলনায় ৫৯ কোটি ডলার বেশি। উল্লেখ্য, গত নভেম্বরের রেমিট্যান্স ছিল ২৮৯ কোটি ডলার। এদিকে ডিসেম্বর ২০২৫ মাসে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫৭ কোটি ২৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার। বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৩৫ কোটি ৩৫ লাখ ২০ হাজার ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২২৯ কোটি ৩৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬৮ লাখ ৯০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স এসেছে— জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার এবং ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল, যা ছিল ওই অর্থবছরের রেকর্ড। পুরো অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার—আগের বছরের তুলনায় যা ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।

Admin জানুয়ারী ১, ২০২৬ 0
Popular post
বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

আব্দুল হক :- বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শুক্রবার ( ২ জানুয়ারী)  সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ঢাকা জেলার মুগদা টিটিপাড়া এলাকার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের উত্তর গ্যালারী, ৩য় তলায় ট্রেনিং ও সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির আকবর চৌধুরী তাজ এর সভাপতিত্বে ও জে কে এফ ৮ম ড্যান,  ভাইস প্রেসিডেন্ট সাউথ এশিয়ান ওয়াদোকাই কারাতে  ও  বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোশিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হানসি নাজনুল মোর্শেদ এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,  বাংলাদেশ জুডো কারাতে ফেডারেশনের প্রবর্তক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কন ফেডারেশনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক হাসান উজ জামান মণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের গ্রান্ড মাষ্টার, প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শাহ ভূইয়া, বি কে এফ রেফারি কমিশনের যুগ্ম সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রকি, অভিনেতা ও সাবেক ন্যাশনাল প্লেয়ার, সেলফ কনফিডেন্স কারাতে একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক,  বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসেসিয়েশন সহ-সভাপতি এন এস তনু (তনু পান্ডে), বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ উজ্জল মিয়া, বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ আব্দুল হক, বি এস কে ইউ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইউ মুকবুল হোসেন মুকুল,  বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইউনুস গাজীসহ ছাত্র -ছাত্রী  ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ খাঁন। প্রশিক্ষণ শেষে বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে ওসমান হাদিকে

উন্নত চিকিৎসার জন্য গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যেই তাকে নিয়ে যেতে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় এসেছে। অ্যাম্বুলেন্সটি বেলা ১১টা ২২ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। দুপুর দেড়টায় তাকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়ার কথা রয়েছে। এরইমধ্যে হাদিকে আনতে বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছে ২ সদস্যের মেডিকেল প্রতিনিধি দল। তাদের মধ্যে একজন চিকিৎসক ও একজন নার্স রয়েছেন। শরিফ ওসমান হাদি জুলাই আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। তিনি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী। গত শুক্রবার দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশনায় আয়োজিত একটি জরুরি টেলিকনফারেন্সে হাদিকে বিদেশে পাঠিয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রেস উইং জানায়, গত দুদিনে সরকার সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার একাধিক হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে চিকিৎসা সুবিধা যাচাই করেছে। হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাবেন তার ভাই ওমর হাদি। সঙ্গে আরও একজনও যাবেন। ওসমান হাদির চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে। তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

বিপদে শুধু আমার দরজাই সবার জন্য খোলা থাকে: পরীমনি

অভিনয় ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব ঢালিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। নিয়মিতই নানা মুহূর্তের ছবি ও ভাবনার কথা শেয়ার করেন তিনি। এবার সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে ‘কৃতঘ্ন’ মানুষদের নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন এই অভিনেত্রী।   পরীমনি জানান, বিপদে যাদের পাশে দাঁড়ান, তারাই অনেক সময় তাকে বিপদে ফেলে দূরে সরে যান।   যদিও পোস্টে তিনি নির্দিষ্ট করে কারো নাম উল্লেখ করেননি। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মানুষের সমস্ত বিপদে শুধু আমার দরজাই সবার জন্য খোলা থাকে। ঠিক তারাই আমাকে বিপদে ফেলে দিয়ে ভেগে যায়।’   তবে এসব ঘটনায় হতাশ নন বলেই জানান অভিনেত্রী।   বরং নিজের মনুষ্যত্ব ও বিবেক নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছেন তিনি।  পরীমনির ভাষায়, ‘আমি আর বদলাতে পারি নাই। না আমার মনুষ্যত্ব আর না আমার বিবেক। তার জন্যই আল্লাহ আমাকে তোমাদের মতো মানুষকে সাহায্য করার মতো সমর্থ দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।’   সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের অনুভূতি অকপটে প্রকাশ করার মধ্য দিয়েই আবারও আলোচনায় এই ঢালিউড তারকা।   এদিকে কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় পার করছেন পরীমনি। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘ডোডোর গল্প’। পাশাপাশি ‘গোলাপ’ নামের আরো একটি সিনেমা শুটিং ফ্লোরে গড়ানোর অপেক্ষায় আছে।

নির্বাচনে প্রার্থীদের অস্ত্রের লাইসেন্স দিতে নীতিমালা জারি

রাজনৈতিকভাবে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তি এবং নির্বাচনের প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার এবং রিটেইনার (গানম্যান) নিয়োগের সুযোগ দিতে নীতিমালা জারি করেছে সরকার। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনার পর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জুলাইয়ের সম্মুখ সারির যোদ্ধা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।  তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার ওই নীতিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই বিশেষ নীতিমালার আওতায় দুই ধরনের ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স এবং গানম্যান নিয়োগের আবেদন করতে পারবেন। ১. সরকার স্বীকৃত বা অনুমোদিত ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ২. সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল এবং গৃহীত হয়ে থাকলে। নীতিমালার শর্তে বলা হয়েছে, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে হলে ‘উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থা) কর্তৃক যাচাইকৃত নিরাপত্তা ঝুঁকি’ থাকতে হবে। শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা এবং অস্ত্র সংরক্ষণের নিরাপদ ব্যবস্থা থাকতে হবে। সাধারণ সময়ে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার যে নীতিমালা আছে, তার শর্তগুলো এই বিশেষ ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। তবে সাধারণ নীতিমালায় পিস্তল, রিভলবার, রাইফেলের লাইসেন্স পেতে কমপক্ষে ৫ লাখ টাকার আয়কর দেওয়ার যে বাধ্যবাধকতার রয়েছে, এই বিশেষ ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না। এই লাইসেন্সের আওতায় কেবল আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে সীমিত ক্যালিবারের অস্ত্র রাখা যাবে। একাধিক অস্ত্রের লাইসেন্স অনুমোদিত হবে না। স্বয়ংক্রিয় বা সামরিক অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া যাবে না। এই নীতিমালার আওতায় অনুমোদিত লাইসেন্সের মেয়াদ থাকবে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ১৫ দিন। এরপর এ ধরনের লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে নীতিমালার অন্যান্য শর্ত পূরণ হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সাময়িক লাইসেন্সকে সাধারণ লাইসেন্সে রূপান্তর করতে পারবে। লাইসেন্সের মেয়াদ পেরিয়ে গেলে বা লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পরও কোনো লাইসেন্সধারী এর বিপরীতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র রাখলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রিটেইনার বা গানম্যান রাখার অনুমতি পেতে হলেও কিছু শর্ত মানতে হবে। কোনো রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা নির্বাচনের কোনো প্রার্থী লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য হলে এবং তিনি আগ্নেয়াস্ত্র কিনতে অসমর্থ হলে বা অনিচ্ছুক হলে বৈধ লাইসেন্সসহ আগ্নেয়াস্ত্র আছে, তা পরিচালনায় সক্ষম এবং কোনো রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা পদপ্রার্থীর রিটেইনার হতে ইচ্ছুক এমন কোনো ব্যক্তিকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ রিটেইনার নিয়োগ করতে পারবেন। সেজন্য লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। রিটেইনার বা গানম্যানকে অন্যূন ২৫ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে। অপরাধমুক্ত থাকার রেকর্ড ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স থাকতে হবে। সরকারি হাসপাতাল থেকে পাওয়া ফিটনেস সনদ থাকতে হবে। তার আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ থাকতে হবে। এক্ষেত্রে সশস্ত্রবাহিনী বা বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা অগ্রাধিকার পাবেন। একজন রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা নির্বাচনের প্রার্থী সর্বোচ্চ একজন রিটেইনার নিয়োগ দিতে পারবেন। লাইসেন্সের মেয়াদ শেষে রিটেইনারের মেয়াদও সমাপ্ত হবে।  

হাদি আমার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, প্রতিযোগী

ওসমান হাদির ওপর হামলাকে ‘গণতন্ত্রের ওপর আঘাত’ বলে অভিহিত করে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে তিনি আরও বলেন, হাদি আমার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, প্রতিযোগী। সে রাজপথের সাহসী সৈনিক। তাকে আমি নির্বাচনী মাঠে আবারও সক্রিয় পাব—সেই প্রত্যাশা করি।   ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি। সেখানে বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা আব্বাস। মির্জা আব্বাস বলেন, সে আমার সন্তান সমতুল্য। হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার সংবাদ পেয়ে আমি মানসিকভাবে আহত হয়েছি। এ আঘাত গণতন্ত্রের ওপর আঘাত। যারা এই আঘাত করেছে, তাদের কালো হাত ভেঙে দিতে হবে।

Top week

রাজধানী

আন্তর্জাতিক পথশিশু দিবসে শতাধিক শিশুকে খাবার ও উপহার দিল ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস

Admin এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0