আন্তর্জাতিক

ফের পাকিস্তানে যাচ্ছে ইরানি প্রতিনিধিদল

Admin এপ্রিল ২৬, ২০২৬ 0

তেহরানে আকস্মিক ফিরে যাওয়া ইরানি প্রতিনিধিদলের একটি অংশ আজ রোববার রাতেই ফের পাকিস্তানে যাচ্ছে। ওমান সফর শেষ করে পাকিস্তানে যাওয়ার কথা রয়েছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিরও। এরপর তিনি রাশিয়া সফরে যাবেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ। 

এর আগে শনিবার ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন আরাঘচি। বৈঠকে আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়।

ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা তাদের অগ্রাধিকার। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি আলোচনায় বসতে এখনো প্রস্তুত নয় তেহরান। তাদের মতে, ওয়াশিংটনের অবস্থান ‘চরমপন্থী’, অন্যদিকে ইরানের কিছু দাবি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

যদিও এখনো কোনো অগ্রগতি হয়নি, তবুও পাকিস্তান মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে আগ্রহী বলে জানিয়েছে। ফলে আলোচনার সম্ভাবনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যায় ওমান থেকে ফেরার পথে আবার ইসলামাবাদে পৌঁছাবেন আরাঘচি এবং সেখানে পাকিস্তানের সঙ্গে আরও আলোচনা হতে পারে। তার সঙ্গে আসা প্রতিনিধিদলের একটি অংশ ইতোমধ্যে তেহরানে ফিরে গিয়ে সরকারের নির্দেশনা নিচ্ছে এবং তারা আবার ইসলামাবাদে যোগ দিতে পারে।

এদিকে, ইসলামাবাদ শহরে নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে স্থাপন করা ব্যারিকেড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং সড়কগুলো এখন স্বাভাবিকভাবে চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা স্থগিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

Popular post
বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

আব্দুল হক :- বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শুক্রবার ( ২ জানুয়ারী)  সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ঢাকা জেলার মুগদা টিটিপাড়া এলাকার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের উত্তর গ্যালারী, ৩য় তলায় ট্রেনিং ও সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির আকবর চৌধুরী তাজ এর সভাপতিত্বে ও জে কে এফ ৮ম ড্যান,  ভাইস প্রেসিডেন্ট সাউথ এশিয়ান ওয়াদোকাই কারাতে  ও  বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোশিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হানসি নাজনুল মোর্শেদ এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,  বাংলাদেশ জুডো কারাতে ফেডারেশনের প্রবর্তক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কন ফেডারেশনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক হাসান উজ জামান মণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের গ্রান্ড মাষ্টার, প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শাহ ভূইয়া, বি কে এফ রেফারি কমিশনের যুগ্ম সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রকি, অভিনেতা ও সাবেক ন্যাশনাল প্লেয়ার, সেলফ কনফিডেন্স কারাতে একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক,  বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসেসিয়েশন সহ-সভাপতি এন এস তনু (তনু পান্ডে), বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ উজ্জল মিয়া, বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ আব্দুল হক, বি এস কে ইউ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইউ মুকবুল হোসেন মুকুল,  বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইউনুস গাজীসহ ছাত্র -ছাত্রী  ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ খাঁন। প্রশিক্ষণ শেষে বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে ওসমান হাদিকে

উন্নত চিকিৎসার জন্য গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যেই তাকে নিয়ে যেতে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় এসেছে। অ্যাম্বুলেন্সটি বেলা ১১টা ২২ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। দুপুর দেড়টায় তাকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়ার কথা রয়েছে। এরইমধ্যে হাদিকে আনতে বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছে ২ সদস্যের মেডিকেল প্রতিনিধি দল। তাদের মধ্যে একজন চিকিৎসক ও একজন নার্স রয়েছেন। শরিফ ওসমান হাদি জুলাই আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। তিনি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী। গত শুক্রবার দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশনায় আয়োজিত একটি জরুরি টেলিকনফারেন্সে হাদিকে বিদেশে পাঠিয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রেস উইং জানায়, গত দুদিনে সরকার সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার একাধিক হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে চিকিৎসা সুবিধা যাচাই করেছে। হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাবেন তার ভাই ওমর হাদি। সঙ্গে আরও একজনও যাবেন। ওসমান হাদির চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে। তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

বিপদে শুধু আমার দরজাই সবার জন্য খোলা থাকে: পরীমনি

অভিনয় ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব ঢালিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। নিয়মিতই নানা মুহূর্তের ছবি ও ভাবনার কথা শেয়ার করেন তিনি। এবার সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে ‘কৃতঘ্ন’ মানুষদের নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন এই অভিনেত্রী।   পরীমনি জানান, বিপদে যাদের পাশে দাঁড়ান, তারাই অনেক সময় তাকে বিপদে ফেলে দূরে সরে যান।   যদিও পোস্টে তিনি নির্দিষ্ট করে কারো নাম উল্লেখ করেননি। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মানুষের সমস্ত বিপদে শুধু আমার দরজাই সবার জন্য খোলা থাকে। ঠিক তারাই আমাকে বিপদে ফেলে দিয়ে ভেগে যায়।’   তবে এসব ঘটনায় হতাশ নন বলেই জানান অভিনেত্রী।   বরং নিজের মনুষ্যত্ব ও বিবেক নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছেন তিনি।  পরীমনির ভাষায়, ‘আমি আর বদলাতে পারি নাই। না আমার মনুষ্যত্ব আর না আমার বিবেক। তার জন্যই আল্লাহ আমাকে তোমাদের মতো মানুষকে সাহায্য করার মতো সমর্থ দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।’   সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের অনুভূতি অকপটে প্রকাশ করার মধ্য দিয়েই আবারও আলোচনায় এই ঢালিউড তারকা।   এদিকে কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় পার করছেন পরীমনি। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘ডোডোর গল্প’। পাশাপাশি ‘গোলাপ’ নামের আরো একটি সিনেমা শুটিং ফ্লোরে গড়ানোর অপেক্ষায় আছে।

হাদি আমার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, প্রতিযোগী

ওসমান হাদির ওপর হামলাকে ‘গণতন্ত্রের ওপর আঘাত’ বলে অভিহিত করে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে তিনি আরও বলেন, হাদি আমার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, প্রতিযোগী। সে রাজপথের সাহসী সৈনিক। তাকে আমি নির্বাচনী মাঠে আবারও সক্রিয় পাব—সেই প্রত্যাশা করি।   ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি। সেখানে বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা আব্বাস। মির্জা আব্বাস বলেন, সে আমার সন্তান সমতুল্য। হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার সংবাদ পেয়ে আমি মানসিকভাবে আহত হয়েছি। এ আঘাত গণতন্ত্রের ওপর আঘাত। যারা এই আঘাত করেছে, তাদের কালো হাত ভেঙে দিতে হবে।

নির্বাচনে প্রার্থীদের অস্ত্রের লাইসেন্স দিতে নীতিমালা জারি

রাজনৈতিকভাবে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তি এবং নির্বাচনের প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার এবং রিটেইনার (গানম্যান) নিয়োগের সুযোগ দিতে নীতিমালা জারি করেছে সরকার। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনার পর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জুলাইয়ের সম্মুখ সারির যোদ্ধা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।  তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার ওই নীতিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই বিশেষ নীতিমালার আওতায় দুই ধরনের ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স এবং গানম্যান নিয়োগের আবেদন করতে পারবেন। ১. সরকার স্বীকৃত বা অনুমোদিত ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ২. সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল এবং গৃহীত হয়ে থাকলে। নীতিমালার শর্তে বলা হয়েছে, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে হলে ‘উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থা) কর্তৃক যাচাইকৃত নিরাপত্তা ঝুঁকি’ থাকতে হবে। শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা এবং অস্ত্র সংরক্ষণের নিরাপদ ব্যবস্থা থাকতে হবে। সাধারণ সময়ে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার যে নীতিমালা আছে, তার শর্তগুলো এই বিশেষ ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। তবে সাধারণ নীতিমালায় পিস্তল, রিভলবার, রাইফেলের লাইসেন্স পেতে কমপক্ষে ৫ লাখ টাকার আয়কর দেওয়ার যে বাধ্যবাধকতার রয়েছে, এই বিশেষ ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না। এই লাইসেন্সের আওতায় কেবল আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে সীমিত ক্যালিবারের অস্ত্র রাখা যাবে। একাধিক অস্ত্রের লাইসেন্স অনুমোদিত হবে না। স্বয়ংক্রিয় বা সামরিক অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া যাবে না। এই নীতিমালার আওতায় অনুমোদিত লাইসেন্সের মেয়াদ থাকবে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ১৫ দিন। এরপর এ ধরনের লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে নীতিমালার অন্যান্য শর্ত পূরণ হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সাময়িক লাইসেন্সকে সাধারণ লাইসেন্সে রূপান্তর করতে পারবে। লাইসেন্সের মেয়াদ পেরিয়ে গেলে বা লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পরও কোনো লাইসেন্সধারী এর বিপরীতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র রাখলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রিটেইনার বা গানম্যান রাখার অনুমতি পেতে হলেও কিছু শর্ত মানতে হবে। কোনো রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা নির্বাচনের কোনো প্রার্থী লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য হলে এবং তিনি আগ্নেয়াস্ত্র কিনতে অসমর্থ হলে বা অনিচ্ছুক হলে বৈধ লাইসেন্সসহ আগ্নেয়াস্ত্র আছে, তা পরিচালনায় সক্ষম এবং কোনো রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা পদপ্রার্থীর রিটেইনার হতে ইচ্ছুক এমন কোনো ব্যক্তিকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ রিটেইনার নিয়োগ করতে পারবেন। সেজন্য লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। রিটেইনার বা গানম্যানকে অন্যূন ২৫ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে। অপরাধমুক্ত থাকার রেকর্ড ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স থাকতে হবে। সরকারি হাসপাতাল থেকে পাওয়া ফিটনেস সনদ থাকতে হবে। তার আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ থাকতে হবে। এক্ষেত্রে সশস্ত্রবাহিনী বা বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা অগ্রাধিকার পাবেন। একজন রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা নির্বাচনের প্রার্থী সর্বোচ্চ একজন রিটেইনার নিয়োগ দিতে পারবেন। লাইসেন্সের মেয়াদ শেষে রিটেইনারের মেয়াদও সমাপ্ত হবে।  

ইসমাইল বাবু

আন্তর্জাতিক

View more
ফের পাকিস্তানে যাচ্ছে ইরানি প্রতিনিধিদল

তেহরানে আকস্মিক ফিরে যাওয়া ইরানি প্রতিনিধিদলের একটি অংশ আজ রোববার রাতেই ফের পাকিস্তানে যাচ্ছে। ওমান সফর শেষ করে পাকিস্তানে যাওয়ার কথা রয়েছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিরও। এরপর তিনি রাশিয়া সফরে যাবেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ।  এর আগে শনিবার ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন আরাঘচি। বৈঠকে আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা তাদের অগ্রাধিকার। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি আলোচনায় বসতে এখনো প্রস্তুত নয় তেহরান। তাদের মতে, ওয়াশিংটনের অবস্থান ‘চরমপন্থী’, অন্যদিকে ইরানের কিছু দাবি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। যদিও এখনো কোনো অগ্রগতি হয়নি, তবুও পাকিস্তান মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে আগ্রহী বলে জানিয়েছে। ফলে আলোচনার সম্ভাবনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যায় ওমান থেকে ফেরার পথে আবার ইসলামাবাদে পৌঁছাবেন আরাঘচি এবং সেখানে পাকিস্তানের সঙ্গে আরও আলোচনা হতে পারে। তার সঙ্গে আসা প্রতিনিধিদলের একটি অংশ ইতোমধ্যে তেহরানে ফিরে গিয়ে সরকারের নির্দেশনা নিচ্ছে এবং তারা আবার ইসলামাবাদে যোগ দিতে পারে। এদিকে, ইসলামাবাদ শহরে নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে স্থাপন করা ব্যারিকেড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং সড়কগুলো এখন স্বাভাবিকভাবে চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা স্থগিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

Admin এপ্রিল ২৬, ২০২৬ 0

আমিরাতে ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি নিহত

ইসরায়েল-হিজবুল্লা সংঘাত : লেবাননে চার ইসরায়েলি সেনা নিহত

ইরানকে সহায়তা করছে রাশয়িা: র্জামানরি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানকে কোণঠাসা করতে গিয়ে উল্টো চাপে ডোনাল্ড ট্রাম্প!

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান নীতির কারণে সৃষ্ট সংকটে পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যে চরম অস্বস্তি ও বিভক্তি দেখা দিয়েছে। হরমুজ প্রণালী নিয়ে সৃষ্ট এই অচলাবস্থা নিরসনে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক আহ্বানে মিত্র দেশগুলো খুব একটা ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে না। বিশেষ করে ন্যাটো জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য আটলান্টিক পাড়ের দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মিত্রদের এই সতর্ক অবস্থান প্রমাণ করে যে ইরানের সঙ্গে সৃষ্ট এই সংকটের কোনো সহজ বা দ্রুত সমাধান আপাতত নেই। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাবেক প্রধান জেনারেল স্যার নিক কার্টার বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ন্যাটো সম্পর্কে ট্রাম্পের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, ন্যাটো একটি আত্মরক্ষামূলক জোট হিসেবে গঠিত হয়েছিল। কোনো একটি সদস্য দেশ নিজের ইচ্ছামতো যুদ্ধ শুরু করে অন্যদের সেখানে টেনে নিয়ে আসবে, এমন কোনো উদ্দেশ্যে এই জোট তৈরি হয়নি।  গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক দাবি এবং ন্যাটোর ওপর তার ক্রমাগত চাপ মিত্র দেশগুলোর মধ্যে এক ধরনের আস্থার সংকট তৈরি করেছে, যার প্রতিফলন এখন হরমুজ প্রণালী ইস্যুতে দেখা যাচ্ছে। জার্মানি ও ফ্রান্সের মতো দেশগুলোও এই সংকটে সরাসরি জড়াতে অনীহা প্রকাশ করেছে। জার্মান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের সঙ্গে এই সংঘাতের দায়ভার ন্যাটোর নয়। এমনকি জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস মার্কিন সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেছেন, আমেরিকার শক্তিশালী নৌবাহিনী যা করতে পারছে না, সেখানে ইউরোপের কয়েকটি রণতরী কী ভূমিকা রাখবে তা স্পষ্ট নয়। ইউরোপীয় দেশগুলোর মতে, এই যুদ্ধ তারা শুরু করেনি, তাই এর দায়ভার নিতেও তারা আগ্রহী নয়। এদিকে হরমুজ প্রণালীতে ইরানের কঠোর অবস্থানের কারণে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়ছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার কথা জানালেও এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি। সমুদ্রে মাইন অপসারণের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ রয়্যাল নেভি এখন চালকবিহীন ড্রোন প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করছে, কারণ তাদের প্রথাগত মাইন-সুইপার জাহাজগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্দরে রয়েছে। তবে এই নতুন প্রযুক্তি যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সমর বিশেষজ্ঞদের মধ্যে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। উপসাগরীয় যুদ্ধের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে যে, সমুদ্রসীমা মাইনমুক্ত করা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ এবং জটিল একটি প্রক্রিয়া। জেনারেল কার্টার মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১৯৯১ সালে কুয়েত উপকূলে মাইন পরিষ্কার করতে পশ্চিমা দেশগুলোর ৫১ দিন সময় লেগেছিল। বর্তমানে কোনো দেশের নৌবাহিনীই মাইন অপসারণের সক্ষমতায় পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করেনি, এমনকি খোদ যুক্তরাষ্ট্রও এই তালিকায় পিছিয়ে আছে। এই কারিগরি সীমাবদ্ধতা এবং মিত্রদের অনীহা মিলে ইরান সংকটকে এক দীর্ঘমেয়াদী এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

Admin মার্চ ১৭, ২০২৬ 0

আজ পবিত্র শবে কদর

মোজতবা খামেনি সুস্থ আছেন: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ঝুঁকিতে ভারতের ৫০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স

  যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ দুই সপ্তাহে গড়াতেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিরতা বাড়ছে। এর প্রভাবে বিশ্ব জ্বালানি বাজারের পাশাপাশি ভারতের অর্থনীতিও বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বে প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন হয়। চলমান সংঘাতের কারণে এই পথ কার্যত বন্ধ হয়ে পড়ায় তেলের দাম দ্রুত বেড়ে গেছে এবং জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেতে পারে ভারত। বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি ভারত জ্বালানির জন্য যেমন উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপর নির্ভরশীল, তেমনি সেখানে কর্মরত বিপুল সংখ্যক প্রবাসীর পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপরও নির্ভর করে। উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ ভুক্ত দেশগুলোতে প্রায় ৯১ লাখ ভারতীয় কাজ করেন। তারা প্রতিবছর প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠান। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘ হলে এই রেমিট্যান্স কমে যেতে পারে, যা ভারতের বাণিজ্য ভারসাম্য ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। উপসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত অনেক ভারতীয় শ্রমিক ও পেশাজীবী এরই মধ্যে চাকরি হারানোর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ইরানি হামলার কারণে কিছু তেল ও গ্যাস কোম্পানি তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে বলেও জানা গেছে। সাবেক ভারতীয় রাষ্ট্রদূত তালমিজ আহমেদ বলেন, উপসাগরে কর্মরত প্রতিটি ভারতীয় সাধারণত দেশে চার থেকে পাঁচজন পরিবারের সদস্যকে সহায়তা করেন। ফলে তাদের আয়ের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল মানুষের সংখ্যা প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি।

Admin মার্চ ১৪, ২০২৬ 0

সপ্তাহে ৫ হাজার কোটি ডলার করে ঋণ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

বেঁচে আছেন খামেনির স্ত্রী, দাবি ইরানের গণমাধ্যমের

৩ শর্তে যুদ্ধ বন্ধেরাজি ইরান, কী রয়েছে তাতে?

0 Comments