দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ কেন্দ্রীয়সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ৫৯ জন নেতাকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ বুধবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন রংপুর বিভাগের ৩ নেতা। তারা হলেন, দিনাজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিরল উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা আ ন ম বজলুর রশিদ (দিনাজপুর-২), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এ জেড এম রেজয়ানুল হক (দিনাজপুর-৫) ও সৈয়দপুর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ আরাফান সরকার রানা (নীলফামারী-৪)
রাজশাহী বিভাগের বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি (নওগাঁ-৩), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু (নাটোর-১), নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন (নাটোর-১), নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দাউদার মাহমুদ (নাটোর- ৩), পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য ইসফা খাইরুল হক শিমুল (রাজশাহী-৫), লন্ডন জিয়া পরিষদের সহসভাপতি ব্যারিস্টার রেজাউল করিম (রাজশাহী-৫, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কে এম আনোয়ারুল ইসলাম (পাবনা-৩) ও পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু (পাবনা-৪)।
খুলনা বিভাগের বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা (কুষ্টিয়া-১), নড়াইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম (নড়াইল-২), মনিরামপুর থানা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. শহিদ ইকবাল (যশোর-৫), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটি সদস্য ডা. শহীদুল আলম (সাতক্ষীরা-৩), বাগেরহাট জেলা বিএনপির সদস্য ইঞ্জি. মাসুদ (বাগেরহাট-১) ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির সদস্য খায়রুজ্জামান শিপন (বাগেরহাট-৪)।
বরিশাল বিভাগের বহিষ্কৃতরা হলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুস সোবহান (বরিশাল-১) ও বিএনপির ঢাকা বিভাগের প্রাথমিক সদস্য মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেন (পিরোজপুর-২)।
ঢাকা বিভাগের বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মোহাম্মাদ দুলাল হোসেন (নারায়ণগঞ্জ-১ ), নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আতাউর রহমান খান আঙ্গুর (নারায়ণগঞ্জ-২), বিএনপির জাতীয় নিবার্হী কমিটির সদস্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম (নারায়ণগঞ্জ-৩), বিএনপির জাতীয় নিবার্হী কমিটির সদস্য এ্যড. মোহাম্মাদ আলী (টাঙ্গাইল-১), বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদ (টাঙ্গাইল-৩), টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যড. ফরহাদ ইকবাল (টাঙ্গাইল-৫), নরসিংদী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জামাল আহমেদ চৌধুরী (নরসিংদী-৫), মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য মুমিন আলী (মুন্সিগঞ্জ-১) ও মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিন (মুন্সিগঞ্জ-৩)।
ময়মনসিংহ বিভাগের বহিষ্কৃতরা হলেন, কিশোরগঞ্জ সদর থানা বিএনপির সদস্য রেজাউল করিম চুন্নু (কিশোরগঞ্জ-১), বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল (কিশোরগঞ্জ-৫), হালুয়া ঘাট উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সালমান ওমর রুবেল (ময়মনসিংহ-১), ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবি সিদ্দিকুর রহমান (ময়মনসিংহ-১০), ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোর্শেদ আলম (ময়মনসিংহ-১১), কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া (নেত্রকোনা-৩) ও শেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আমিনুল ইসলাম বাদশাহ (শেরপুর-৩)।
ফরিদপুর বিভাগের বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, মাদারিপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক লাভলু সিদ্দিকী (মাদারিপুর -১), শিবচর উপজেলা বিএনপির সদস্য কামাল জামাল নুরুউদ্দিন মোল্লা (মাদারিপুর -১), মাদারিপুর জেলা বিএনপির সদস্য মিল্টন বৈদ্য (মাদারিপুর -২), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নাসিরুল হক সাবু (রাজবাড়ী-২), গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য এম এস খান মঞ্জু (গোপালগঞ্জ-২), গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (গোপালগঞ্জ-২) ও গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য এ্যাড. হাবিবুর রহমান হাবিব (গোপালগঞ্জ-৩)।
সিলেট বিভাগের বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য আনোয়ার হোসেন (সুনামগঞ্জ-৩), সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন (সুনামগঞ্জ-৪) সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা (বহিষ্কৃত) মামুনুর রশীদ (চাকসু) (সিলেট-৫), মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য মহসিন মিয়া মধু (মৌলভীবাজার-৪) ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ সুজাত মিয়া (হবিগঞ্জ-১)।
কুমিল্লা বিভাগের বহিষ্কৃতরা হলেন, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এ্যাড. কামরুজ্জামান মামুন (ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-১), ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক কাজী নাজমুল হোসেন তাপস (ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৫), জেলা বিএনপির সাধারণ সদস্য কৃষিবিদ সাইদুজ্জামান কামাল (ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৬), ইঞ্জিনিয়ারিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের উপদেষ্টা ইঞ্জি. আব্দুল মতিন (কুমিল্লা-২), চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল আলম শাওন (কুমিল্লা-৭) ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এ হান্নান (চাঁদপুর-৪)।
চট্টগ্রাম বিভাগের বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য এড: মিজানুল হক চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৪), চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুল ইসলাম রাহী (চট্টগ্রাম-১৪), চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান (চট্টগ্রাম-১৬), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী মফিজুর রহমান (নোয়াখালী-২), সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফজলুল আজীম (নোয়াখালী-৬) ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার তানবীর উদ্দীন রাজীব (নোয়াখালী-৬)।
আব্দুল হক :- বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ( ২ জানুয়ারী) সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ঢাকা জেলার মুগদা টিটিপাড়া এলাকার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের উত্তর গ্যালারী, ৩য় তলায় ট্রেনিং ও সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির আকবর চৌধুরী তাজ এর সভাপতিত্বে ও জে কে এফ ৮ম ড্যান, ভাইস প্রেসিডেন্ট সাউথ এশিয়ান ওয়াদোকাই কারাতে ও বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোশিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হানসি নাজনুল মোর্শেদ এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জুডো কারাতে ফেডারেশনের প্রবর্তক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কন ফেডারেশনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক হাসান উজ জামান মণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের গ্রান্ড মাষ্টার, প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শাহ ভূইয়া, বি কে এফ রেফারি কমিশনের যুগ্ম সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রকি, অভিনেতা ও সাবেক ন্যাশনাল প্লেয়ার, সেলফ কনফিডেন্স কারাতে একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসেসিয়েশন সহ-সভাপতি এন এস তনু (তনু পান্ডে), বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ উজ্জল মিয়া, বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ আব্দুল হক, বি এস কে ইউ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইউ মুকবুল হোসেন মুকুল, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইউনুস গাজীসহ ছাত্র -ছাত্রী ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ খাঁন। প্রশিক্ষণ শেষে বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।
উন্নত চিকিৎসার জন্য গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যেই তাকে নিয়ে যেতে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় এসেছে। অ্যাম্বুলেন্সটি বেলা ১১টা ২২ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। দুপুর দেড়টায় তাকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়ার কথা রয়েছে। এরইমধ্যে হাদিকে আনতে বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছে ২ সদস্যের মেডিকেল প্রতিনিধি দল। তাদের মধ্যে একজন চিকিৎসক ও একজন নার্স রয়েছেন। শরিফ ওসমান হাদি জুলাই আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। তিনি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী। গত শুক্রবার দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশনায় আয়োজিত একটি জরুরি টেলিকনফারেন্সে হাদিকে বিদেশে পাঠিয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রেস উইং জানায়, গত দুদিনে সরকার সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার একাধিক হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে চিকিৎসা সুবিধা যাচাই করেছে। হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাবেন তার ভাই ওমর হাদি। সঙ্গে আরও একজনও যাবেন। ওসমান হাদির চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে। তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
অভিনয় ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব ঢালিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। নিয়মিতই নানা মুহূর্তের ছবি ও ভাবনার কথা শেয়ার করেন তিনি। এবার সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে ‘কৃতঘ্ন’ মানুষদের নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন এই অভিনেত্রী। পরীমনি জানান, বিপদে যাদের পাশে দাঁড়ান, তারাই অনেক সময় তাকে বিপদে ফেলে দূরে সরে যান। যদিও পোস্টে তিনি নির্দিষ্ট করে কারো নাম উল্লেখ করেননি। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মানুষের সমস্ত বিপদে শুধু আমার দরজাই সবার জন্য খোলা থাকে। ঠিক তারাই আমাকে বিপদে ফেলে দিয়ে ভেগে যায়।’ তবে এসব ঘটনায় হতাশ নন বলেই জানান অভিনেত্রী। বরং নিজের মনুষ্যত্ব ও বিবেক নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছেন তিনি। পরীমনির ভাষায়, ‘আমি আর বদলাতে পারি নাই। না আমার মনুষ্যত্ব আর না আমার বিবেক। তার জন্যই আল্লাহ আমাকে তোমাদের মতো মানুষকে সাহায্য করার মতো সমর্থ দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের অনুভূতি অকপটে প্রকাশ করার মধ্য দিয়েই আবারও আলোচনায় এই ঢালিউড তারকা। এদিকে কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় পার করছেন পরীমনি। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘ডোডোর গল্প’। পাশাপাশি ‘গোলাপ’ নামের আরো একটি সিনেমা শুটিং ফ্লোরে গড়ানোর অপেক্ষায় আছে।
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে দেশিয় অস্ত্রসহ আতিক হাসান (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে বিজিবি তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে করে পাটগ্রাম থানায় সোপর্দ করেছেন। এর আগে ভোরে তিস্তা ব্যাটালিয়নের (৬১ বিজিবি) অধীনস্থ পঁয়ষট্টিবাড়ি বিওপির একটি টহল দল এই অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তার আতিক হাসান পাটগ্রামের সীমান্তপাড়া এলাকার মো. বজলার রহমানের ছেলে। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত মেইন পিলার-৮৪৬ এর কাছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আউলিয়ার হাট নামক স্থানে সন্দেহভাজন কয়েকজনকে দেখে অভিযান চালায় বিজিবি। এসময় আতিক হাসানকে আটক করা সম্ভব হলেও তার সঙ্গে থাকা আরও দুইজন পালিয়ে যান। আটক আতিকের কাছ থেকে ২ ফুট ৪ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের একটি ছুরি এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, শ্রীরামপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে চোরাচালান করতে গিয়ে তিনি বিজিবির হাতে ধরা পড়েন। অভিযান চলাকালীন পালিয়ে যাওয়া দুই ব্যক্তি হলেন— মো. জুলফিকার আলী (৩৫) ও মো. রহিদুল (৪২)। বিজিবি জানিয়েছে, তাদের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, বিজিবি আতিক হাসানের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে থানায় দিয়েছেন। তাকে লালমনিরহাট জেলহাজতে পাঠানো হবে।
বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ও মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের কনিষ্ঠ কন্যা ফোবি অ্যাডেল গেটস। ২৩ বছর বয়সী এই তরুণী তার ব্যক্তিগত জীবন আর পেশাগত কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রায়ই থাকেন আলোচনায়। এবার ফের শিরোনামে এলেন প্রেমের খবর নিয়ে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে নতুন সম্পর্কের ইঙ্গিত দিয়েছেন ফোবি। তবে এই প্রেম একেবারে নতুন নয়; শৈশব থেকেই গড়ে উঠেছে তাদের সম্পর্কটি। ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেন ফোবি। ছবিতে দেখা যায়, তার শৈশবের বন্ধু চ্যাজ ফ্লিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে ধরা দিয়েছেন বিল গেটস কন্যা। ক্যাপশনে শুধু একটি লাভ ইমোজি! আর তাতেই নেটদুনিয়ায় শুরু আলোচনা। পোস্টটি প্রকাশের পরই অনুরাগীদের মন্তব্যে ভরে ওঠে কমেন্ট বক্স। কেউ অভিনন্দন জানাচ্ছেন, কেউ আবার মজা করে লিখেছেন, ‘পুরনো ভালোবাসা যেন এবার স্থায়ী হয়।’ টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফোবি ও চ্যাজ একই স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। সেই সময় তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের পাশাপাশি স্বল্প সময়ের জন্য সম্পর্কও ছিল। দীর্ঘ বিরতির পর এবার সেই পুরনো সম্পর্কই নতুন রূপে ফিরে এসেছে। এক সাক্ষাৎকারে ফোবি বলেছিলেন, ১৫ বছর বয়স থেকে চ্যাজকে চেনেন তিনি। এর আগে ব্রিটিশ সংগীত কিংবদন্তি পল ম্যাককার্টনির নাতি আর্থার ডোনাল্ডের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়েছিলেন ফোবি। ২০২৩ সালের শেষ দিকে তাদের প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়, এরপর ২০২৪ সালের মাঝামাঝি ফোবি নিজেই নিশ্চিত করেন বিষয়টি। কিন্তু ২০২৫ সালের শেষ দিকে সেই সম্পর্কে ইতি টানে দুজন। এদিকে ব্রেকাপের এক মাস বাদেই নতুন সম্পর্কের ইঙ্গিত দিলেন এই ধনকুবেরের কন্যা; যা নিয়ে তার ভক্ত মহলে ব্যাপক আলোচনা। ফোবি বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ফ্যাশন শপিং টুল ‘ফিয়া’ নিয়ে কাজ করছেন। পাশাপাশি একজন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবেও নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচি ওষুধ ইতিমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে। বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।...আপনারা বলতেছেন এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’ শনিবার সকালে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে এ কথা বলেন শফিকুর রহমান। লংমার্চ শেষ হবে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে। মাঝপথে পাঁচটি স্থানে পথসভা হবে। লংমার্চের পথে কোনো বাধাকেই পরোয়া করা হবে না বলে জানান বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি, জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব ইনশাল্লাহ। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে। চলবে জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে এই আন্দোলন চলতে থাকবে, যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হয়।’ গণভোটের রায় বাস্তবায়ন; জুলাই গণহত্যার বিচার; বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন; নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ—এই ছয় দাবিতে লংমার্চ করছে বিরোধী জোট। এর সঙ্গে সপ্তম দফা যোগ করেন জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, লংমার্চের ছয় দফা দাবির সঙ্গে সপ্তম দফা যুক্ত হবে। কোনো চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বরদাশত করা হবে না। শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন , ‘গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই, কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে, কারেন্টের ভুতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না। অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ ওলট-পালট হয়ে যাওয়ার মতো। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় গিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে।’ সিফাতকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানান জামায়াত আমির। তিনি বলেন, ‘ওরে ছেড়ে দেন। ভালোয় ভালোয় ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদি একদম ওলট–পালট করে দিয়েছিল।’ সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে চাচ্ছে, তাদের স্বৈরাচার হওয়ার পথ বন্ধ করার জন্য লংমার্চ ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ও অন্যান্য বিভাগে যাত্রা শুরু করেছে। সরকার লংমার্চে বাধা দিতে চাইলে লংমার্চের ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, জনগণের দাবি মেনে না নিলে ১১ দলের পক্ষ থেকে তাদের দাবি আদায়ে বাধ্য করা হবে। বিরোধী দল প্রথম রাউন্ডের কর্মসূচি শেষ করেছে, দ্বিতীয় রাউন্ড শুরু হয়েছে। এখনই সতর্ক না হলে অন্যরা যেভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, তাদেরও একই পরিণতি হবে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, লংমার্চের বার্তা এখনই না বুঝলে তাদের জন্যও সেই পরিণাম অপেক্ষা করছে, যা প্রত্যেক স্বৈরশাসকের ক্ষেত্রে হয়েছে। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দিন যত যাচ্ছে মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছে সরকার। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে জাতিকে দেওয়া ওয়াদা তারা ভঙ্গ করেছে। সংসদে ভুল স্বীকার করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানান তিনি। এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘আপনারা গ্যাস-বিদ্যুৎ দেন না, কথাও বলতে দেন না। আপনাদের পরিণতি ভালো হবে না। দেশের মানুষ ক্ষমতায় বসাতে পারে, ক্ষমতা থেকে উৎখাতও করতে পারে।’ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আবদুল কাইয়ুম সুবহানী, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান (মঞ্জু), বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন জামায়াতের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, আজ বিকেল ৩টায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে। এরপর সন্ধ্যা ৬টার দিকে মির্জা আব্বাসকে নিয়ে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে যাত্রা করবে। তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকদের পরামর্শেই মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা সংবিধান মেনেই এই পর্যন্ত এসেছি এবং সংবিধান মেনে চলছি। সামনেও সংবিধান মেনে চলার আশা রাখি। সাংবিধানিক পদ্ধতি মেনেই বিএনপির নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার কোনো বিধান সংবিধানে নেই। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পর ‘সংবিধা্ন সংস্কার পরিষদের শপথকে ‘জবরদস্তিমূলক শপথ’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।’ মঙ্গলবার এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলণায়তনে ‘গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার সুরক্ষা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের প্রতি আইনজীবী সমাজের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এই আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদের প্রতি আমরা শতভাগ অঙ্গীকারাবদ্ধ। এটা রাজনৈতিক সমঝতার দলিল। আমরা তাতে স্বাক্ষর করেছি। বরং যারা সমালোচনা করছে তারা স্বাক্ষর করেছে এই গত কয়েকদিন আগে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের বক্তব্য ছিল যদি গণভোটের রায়কে আমরা সম্মান দিতে চাই, জাতীয় সংসদে আগে যেতে হবে। সেখানে আলাপ-আলোচনা করতে হবে। আইন প্রণয়ন করতে হবে। সংবিধানে সেটা (সংবিধান সংস্কার পরিষদ) অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তারপরে যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে হয় সেটা সেখানেই নির্ধারণ করা হবে। কোন ফরমে শপথ হবে সেটা তৃতীয় (সংবিধানের) তফসিলে আনতে হবে। কে শপথ বাক্য পাঠ করাবে সেটা নির্ধারিত হলে পরে এটা বিধিসম্মত হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তো জুলাই জাতীয় সনদকে অস্বীকার করি না। জুলাই জাতীয় সনদের প্রত্যেকটা শব্দকে-অক্ষরকে আমরা ধারণ করি। আমরা সেটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। জাতির কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছি, আমরা সেটা বাস্তবায়ন করব। এমনকি সেই প্রতিশ্রুতির বাইরেও আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার অনুসারে বিএনপি যে সমস্ত ইশতেহার প্রণয়ন করে জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করেছে সেই সমস্ত ইশতেহারও যা কিছু আছে তা আমরা বাস্তবায়ন করব।’