দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ কেন্দ্রীয়সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ৫৯ জন নেতাকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ বুধবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন রংপুর বিভাগের ৩ নেতা। তারা হলেন, দিনাজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিরল উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা আ ন ম বজলুর রশিদ (দিনাজপুর-২), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এ জেড এম রেজয়ানুল হক (দিনাজপুর-৫) ও সৈয়দপুর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ আরাফান সরকার রানা (নীলফামারী-৪)
রাজশাহী বিভাগের বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি (নওগাঁ-৩), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু (নাটোর-১), নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন (নাটোর-১), নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দাউদার মাহমুদ (নাটোর- ৩), পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য ইসফা খাইরুল হক শিমুল (রাজশাহী-৫), লন্ডন জিয়া পরিষদের সহসভাপতি ব্যারিস্টার রেজাউল করিম (রাজশাহী-৫, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কে এম আনোয়ারুল ইসলাম (পাবনা-৩) ও পাবনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু (পাবনা-৪)।
খুলনা বিভাগের বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা (কুষ্টিয়া-১), নড়াইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম (নড়াইল-২), মনিরামপুর থানা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. শহিদ ইকবাল (যশোর-৫), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটি সদস্য ডা. শহীদুল আলম (সাতক্ষীরা-৩), বাগেরহাট জেলা বিএনপির সদস্য ইঞ্জি. মাসুদ (বাগেরহাট-১) ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির সদস্য খায়রুজ্জামান শিপন (বাগেরহাট-৪)।
বরিশাল বিভাগের বহিষ্কৃতরা হলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুস সোবহান (বরিশাল-১) ও বিএনপির ঢাকা বিভাগের প্রাথমিক সদস্য মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেন (পিরোজপুর-২)।
ঢাকা বিভাগের বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মোহাম্মাদ দুলাল হোসেন (নারায়ণগঞ্জ-১ ), নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আতাউর রহমান খান আঙ্গুর (নারায়ণগঞ্জ-২), বিএনপির জাতীয় নিবার্হী কমিটির সদস্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম (নারায়ণগঞ্জ-৩), বিএনপির জাতীয় নিবার্হী কমিটির সদস্য এ্যড. মোহাম্মাদ আলী (টাঙ্গাইল-১), বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান আজাদ (টাঙ্গাইল-৩), টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যড. ফরহাদ ইকবাল (টাঙ্গাইল-৫), নরসিংদী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জামাল আহমেদ চৌধুরী (নরসিংদী-৫), মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য মুমিন আলী (মুন্সিগঞ্জ-১) ও মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিন (মুন্সিগঞ্জ-৩)।
ময়মনসিংহ বিভাগের বহিষ্কৃতরা হলেন, কিশোরগঞ্জ সদর থানা বিএনপির সদস্য রেজাউল করিম চুন্নু (কিশোরগঞ্জ-১), বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল (কিশোরগঞ্জ-৫), হালুয়া ঘাট উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সালমান ওমর রুবেল (ময়মনসিংহ-১), ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবি সিদ্দিকুর রহমান (ময়মনসিংহ-১০), ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোর্শেদ আলম (ময়মনসিংহ-১১), কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া (নেত্রকোনা-৩) ও শেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আমিনুল ইসলাম বাদশাহ (শেরপুর-৩)।
ফরিদপুর বিভাগের বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, মাদারিপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক লাভলু সিদ্দিকী (মাদারিপুর -১), শিবচর উপজেলা বিএনপির সদস্য কামাল জামাল নুরুউদ্দিন মোল্লা (মাদারিপুর -১), মাদারিপুর জেলা বিএনপির সদস্য মিল্টন বৈদ্য (মাদারিপুর -২), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নাসিরুল হক সাবু (রাজবাড়ী-২), গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য এম এস খান মঞ্জু (গোপালগঞ্জ-২), গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (গোপালগঞ্জ-২) ও গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য এ্যাড. হাবিবুর রহমান হাবিব (গোপালগঞ্জ-৩)।
সিলেট বিভাগের বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য আনোয়ার হোসেন (সুনামগঞ্জ-৩), সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন (সুনামগঞ্জ-৪) সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা (বহিষ্কৃত) মামুনুর রশীদ (চাকসু) (সিলেট-৫), মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সদস্য মহসিন মিয়া মধু (মৌলভীবাজার-৪) ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ সুজাত মিয়া (হবিগঞ্জ-১)।
কুমিল্লা বিভাগের বহিষ্কৃতরা হলেন, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এ্যাড. কামরুজ্জামান মামুন (ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-১), ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক কাজী নাজমুল হোসেন তাপস (ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৫), জেলা বিএনপির সাধারণ সদস্য কৃষিবিদ সাইদুজ্জামান কামাল (ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৬), ইঞ্জিনিয়ারিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের উপদেষ্টা ইঞ্জি. আব্দুল মতিন (কুমিল্লা-২), চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল আলম শাওন (কুমিল্লা-৭) ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এ হান্নান (চাঁদপুর-৪)।
চট্টগ্রাম বিভাগের বহিষ্কৃত নেতারা হলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য এড: মিজানুল হক চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৪), চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুল ইসলাম রাহী (চট্টগ্রাম-১৪), চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান (চট্টগ্রাম-১৬), বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী মফিজুর রহমান (নোয়াখালী-২), সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফজলুল আজীম (নোয়াখালী-৬) ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার তানবীর উদ্দীন রাজীব (নোয়াখালী-৬)।
আব্দুল হক :- বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাশোসিয়েশনের উদ্যোগে কোচেস ট্রেনিং ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ( ২ জানুয়ারী) সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ঢাকা জেলার মুগদা টিটিপাড়া এলাকার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের উত্তর গ্যালারী, ৩য় তলায় ট্রেনিং ও সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির আকবর চৌধুরী তাজ এর সভাপতিত্বে ও জে কে এফ ৮ম ড্যান, ভাইস প্রেসিডেন্ট সাউথ এশিয়ান ওয়াদোকাই কারাতে ও বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোশিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হানসি নাজনুল মোর্শেদ এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জুডো কারাতে ফেডারেশনের প্রবর্তক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কন ফেডারেশনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক হাসান উজ জামান মণি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের গ্রান্ড মাষ্টার, প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর শাহ ভূইয়া, বি কে এফ রেফারি কমিশনের যুগ্ম সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রকি, অভিনেতা ও সাবেক ন্যাশনাল প্লেয়ার, সেলফ কনফিডেন্স কারাতে একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রশিক্ষক, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসেসিয়েশন সহ-সভাপতি এন এস তনু (তনু পান্ডে), বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ উজ্জল মিয়া, বি কে এফ এর কোচ এন্ড রেফারী মোঃ আব্দুল হক, বি এস কে ইউ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইউ মুকবুল হোসেন মুকুল, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইউনুস গাজীসহ ছাত্র -ছাত্রী ও অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ, সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, বাংলাদেশ ওয়াদোকাই কারাতে দো এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ খাঁন। প্রশিক্ষণ শেষে বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।
উন্নত চিকিৎসার জন্য গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যেই তাকে নিয়ে যেতে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় এসেছে। অ্যাম্বুলেন্সটি বেলা ১১টা ২২ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। দুপুর দেড়টায় তাকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়ার কথা রয়েছে। এরইমধ্যে হাদিকে আনতে বিমানবন্দর থেকে রওনা দিয়েছে ২ সদস্যের মেডিকেল প্রতিনিধি দল। তাদের মধ্যে একজন চিকিৎসক ও একজন নার্স রয়েছেন। শরিফ ওসমান হাদি জুলাই আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র। তিনি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী। গত শুক্রবার দুপুরে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশনায় আয়োজিত একটি জরুরি টেলিকনফারেন্সে হাদিকে বিদেশে পাঠিয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রেস উইং জানায়, গত দুদিনে সরকার সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার একাধিক হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে চিকিৎসা সুবিধা যাচাই করেছে। হাদির সঙ্গে সিঙ্গাপুরে যাবেন তার ভাই ওমর হাদি। সঙ্গে আরও একজনও যাবেন। ওসমান হাদির চিকিৎসা সংক্রান্ত সব ব্যয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বহন করা হবে। তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
অভিনয় ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সরব ঢালিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি। নিয়মিতই নানা মুহূর্তের ছবি ও ভাবনার কথা শেয়ার করেন তিনি। এবার সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে ‘কৃতঘ্ন’ মানুষদের নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন এই অভিনেত্রী। পরীমনি জানান, বিপদে যাদের পাশে দাঁড়ান, তারাই অনেক সময় তাকে বিপদে ফেলে দূরে সরে যান। যদিও পোস্টে তিনি নির্দিষ্ট করে কারো নাম উল্লেখ করেননি। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মানুষের সমস্ত বিপদে শুধু আমার দরজাই সবার জন্য খোলা থাকে। ঠিক তারাই আমাকে বিপদে ফেলে দিয়ে ভেগে যায়।’ তবে এসব ঘটনায় হতাশ নন বলেই জানান অভিনেত্রী। বরং নিজের মনুষ্যত্ব ও বিবেক নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছেন তিনি। পরীমনির ভাষায়, ‘আমি আর বদলাতে পারি নাই। না আমার মনুষ্যত্ব আর না আমার বিবেক। তার জন্যই আল্লাহ আমাকে তোমাদের মতো মানুষকে সাহায্য করার মতো সমর্থ দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের অনুভূতি অকপটে প্রকাশ করার মধ্য দিয়েই আবারও আলোচনায় এই ঢালিউড তারকা। এদিকে কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত সময় পার করছেন পরীমনি। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘ডোডোর গল্প’। পাশাপাশি ‘গোলাপ’ নামের আরো একটি সিনেমা শুটিং ফ্লোরে গড়ানোর অপেক্ষায় আছে।
ওসমান হাদির ওপর হামলাকে ‘গণতন্ত্রের ওপর আঘাত’ বলে অভিহিত করে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে তিনি আরও বলেন, হাদি আমার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, প্রতিযোগী। সে রাজপথের সাহসী সৈনিক। তাকে আমি নির্বাচনী মাঠে আবারও সক্রিয় পাব—সেই প্রত্যাশা করি। ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি। সেখানে বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা আব্বাস। মির্জা আব্বাস বলেন, সে আমার সন্তান সমতুল্য। হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার সংবাদ পেয়ে আমি মানসিকভাবে আহত হয়েছি। এ আঘাত গণতন্ত্রের ওপর আঘাত। যারা এই আঘাত করেছে, তাদের কালো হাত ভেঙে দিতে হবে।
রাজনৈতিকভাবে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তি এবং নির্বাচনের প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার এবং রিটেইনার (গানম্যান) নিয়োগের সুযোগ দিতে নীতিমালা জারি করেছে সরকার। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনার পর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জুলাইয়ের সম্মুখ সারির যোদ্ধা, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার ওই নীতিমালার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই বিশেষ নীতিমালার আওতায় দুই ধরনের ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স এবং গানম্যান নিয়োগের আবেদন করতে পারবেন। ১. সরকার স্বীকৃত বা অনুমোদিত ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ২. সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল এবং গৃহীত হয়ে থাকলে। নীতিমালার শর্তে বলা হয়েছে, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে হলে ‘উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থা) কর্তৃক যাচাইকৃত নিরাপত্তা ঝুঁকি’ থাকতে হবে। শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা এবং অস্ত্র সংরক্ষণের নিরাপদ ব্যবস্থা থাকতে হবে। সাধারণ সময়ে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার যে নীতিমালা আছে, তার শর্তগুলো এই বিশেষ ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। তবে সাধারণ নীতিমালায় পিস্তল, রিভলবার, রাইফেলের লাইসেন্স পেতে কমপক্ষে ৫ লাখ টাকার আয়কর দেওয়ার যে বাধ্যবাধকতার রয়েছে, এই বিশেষ ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না। এই লাইসেন্সের আওতায় কেবল আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে সীমিত ক্যালিবারের অস্ত্র রাখা যাবে। একাধিক অস্ত্রের লাইসেন্স অনুমোদিত হবে না। স্বয়ংক্রিয় বা সামরিক অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া যাবে না। এই নীতিমালার আওতায় অনুমোদিত লাইসেন্সের মেয়াদ থাকবে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ১৫ দিন। এরপর এ ধরনের লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে। তবে নীতিমালার অন্যান্য শর্ত পূরণ হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সাময়িক লাইসেন্সকে সাধারণ লাইসেন্সে রূপান্তর করতে পারবে। লাইসেন্সের মেয়াদ পেরিয়ে গেলে বা লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পরও কোনো লাইসেন্সধারী এর বিপরীতে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র রাখলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রিটেইনার বা গানম্যান রাখার অনুমতি পেতে হলেও কিছু শর্ত মানতে হবে। কোনো রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা নির্বাচনের কোনো প্রার্থী লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য হলে এবং তিনি আগ্নেয়াস্ত্র কিনতে অসমর্থ হলে বা অনিচ্ছুক হলে বৈধ লাইসেন্সসহ আগ্নেয়াস্ত্র আছে, তা পরিচালনায় সক্ষম এবং কোনো রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা পদপ্রার্থীর রিটেইনার হতে ইচ্ছুক এমন কোনো ব্যক্তিকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ রিটেইনার নিয়োগ করতে পারবেন। সেজন্য লাইসেন্স প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। রিটেইনার বা গানম্যানকে অন্যূন ২৫ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে। অপরাধমুক্ত থাকার রেকর্ড ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স থাকতে হবে। সরকারি হাসপাতাল থেকে পাওয়া ফিটনেস সনদ থাকতে হবে। তার আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ থাকতে হবে। এক্ষেত্রে সশস্ত্রবাহিনী বা বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা অগ্রাধিকার পাবেন। একজন রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা নির্বাচনের প্রার্থী সর্বোচ্চ একজন রিটেইনার নিয়োগ দিতে পারবেন। লাইসেন্সের মেয়াদ শেষে রিটেইনারের মেয়াদও সমাপ্ত হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান তার নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৫ আসনের মানুষের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন। নামাজের পর সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে জামায়াতে ইসলামীর ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া পোস্টে বিষয়টি জানানো হয়। পোস্টে বলা হয়, ঈদের দিন বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে (২৯ মিন্টো রোড, ঢাকা) শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হবে। এদিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঢাকাস্থ কূটনৈতিক মিশনের কূটনীতিকগণের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করবেন। পরে বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। একই পোস্টে জামায়াত নেতারা কে কোথায় ঈদুর ফিতর উদযাপন করবেন তা জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, দলের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম ঢাকায়, নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলার নিজ গ্রামে, নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের ঢাকায়, সাবেক এমপি মাওলানা শামসুল ইসলাম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার নিজ গ্রামে, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনার খানজাহান আলী থানার নিজ গ্রামে, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা’ছুম কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার নিজ এলাকার ঈদগাহ মাঠে, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার নওকৈড় নিজ গ্রামে, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ ঢাকায়, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ভাঙ্গাপুষ্কুরুনী নিজ গ্রামে। এ ছাড়াও অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জম হোসাইন হেলাল বরিশালের নিজ গ্রামে, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সিলেটের নিজ গ্রামে, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মো. শাহজাহান চট্টগ্রাম মহানগরীতে, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব আবদুর রব ঢাকায়, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন ঢাকায়, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ ঢাকায় ঈদ করবেন বলে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন বগুড়ায়, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ সাতক্ষীরার নিজ গ্রামে, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন ঢাকায়, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল চাঁপাইনবাবগঞ্জে, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিন ঢাকায়, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নিজ গ্রামে ও ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম লক্ষ্মীপুরে নিজ গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই প্রস্তাবের পুরোপুরি বাস্তবায়ন চায় বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা জুলাই সনদের আংশিক নয়, পুরো প্যাকেজ চাই। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধী দলের যেটুকু প্রাপ্য, সেটুকুই নেব।’ আজ বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনের পশ্চিম ব্লকের নবম তলায় বিরোধীদলীয় সভাকক্ষে ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বিরোধীদলীয় সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাশেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ সময় সরকারি দলকে জুলাইয়ে প্রতি সম্মান জানিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান। সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা কেমন হবে, তা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা রাখতে চাই। সরকার ভুল করলে পরমার্শ দেব, প্রয়োজনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিবাদ করব। আগামীকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সরকার দল থেকে ইতিমধ্যে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিরোধী দলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের অবস্থান সময়মতো দেখতে পাবে জাতি।’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাঙামাটি জেলার যুগ্ম সদস্যসচিব উজ্জ্বল চাকমার পদত্যাগের ৫ দিন পর জুরাছড়িতে দলটির উপজেলা কমিটির আহ্বায়কসহ ৮৭ জন পদত্যাগ করেছেন। সোমবার (৯ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি জেলা কমিটির সদস্য ও জুরাছড়ি উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অসিম চাকমা। সোমবার এক বিশেষ সভায় উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অসিম চাকমাসহ পূর্ণাঙ্গ কমিটির সব সদস্য গণপদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। পরে এ সংক্রান্ত পদত্যাগপত্র রাঙামাটি জেলা কমিটির কাছে পাঠানো হয়। উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক দেবাশীষ চাকমা বলেন, ১ জানুয়ারি রাঙামাটি জেলা কমিটি জুরাছড়ি উপজেলার ৮৭ সদস্যের কমিটি ছয় মাসের জন্য অনুমোদন দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তারা সম্মিলিতভাবে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পদত্যাগী নেতারা জানান, জুলাই আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে তারা দলে যোগ দিয়েছিলেন। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বড় একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করার মাধ্যমে এনসিপি তার স্বকীয়তা ও আদর্শ থেকে সরে এসেছে বলে তাদের মনে হয়েছে। দলটির বর্তমান অবস্থানের সঙ্গে তাদের আদর্শিক অবস্থান মিলছে না। এ কারণে সব সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তারা। অসিম চাকমা বলেন, এই পরিস্থিতিতে আমাদের পক্ষে সেই আদর্শকে লালন করা আর সম্ভব হচ্ছে না। তাই আজ থেকে আমি এনসিপির রাঙামাটি জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জুরাছড়ি উপজেলা আহ্বায়কসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। কোনো রাজনৈতিক দলের চাপের কারণে পদত্যাগ করা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তারা কোনো রাজনৈতিক দলের চাপে পদত্যাগ করেননি। এনসিপির রাঙামাটি জেলা শাখার আহ্বায়ক বিপিন জ্যোতি চাকমা জুরাছড়ি উপজেলা কমিটির গণপদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সাংগঠনিক পদত্যাগপত্র আমাদের কাছে পৌঁছেছে। এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক মনজিলা সুলতানা ঝুমা জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মীর মাধ্যমে পদত্যাগের খবর পেয়েছেন। তবে সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী যে কমিটি থেকে অনুমোদন দেওয়া হয়, সেই কমিটির কাছে লিখিতভাবে পদত্যাগপত্র পাঠাতে হয়।